Breaking News

কুমিল্লার লাকসামে আওয়ামী লীগের ভয়াবহ সন্ত্রাস ও জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা এবং গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

কুমিল্লা জেলার লাকসামে আওয়ামী লীগের ভয়াবহ সন্ত্রাস এবং জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের এবং অন্যায়ভাবে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম ১৭ সেপ্টেম্বর এক বিবৃতি প্রদান করেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, “৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা জেলার লাকসামে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দলীয় নেতা ও কর্মীরা ব্যাপক সন্ত্রাসী তান্ডব চালায়। তারা জামায়াত সমর্থিত লোকজনের ব্যবসায় ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বাড়ি-ঘরে ব্যাপক ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। তারা লাকসাম উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা ডঃ সরোয়ার উদ্দিন সিদ্দিকীর ১টি হাসপাতাল, ১টি স্কুল ভাংচুর করে এবং ১টি মাইক্রোবাস জ্বালিয়ে দেয়। ডাঃ মবিন সাহেবের হাসপাতাল ভাংচুর করে। পৌরসভা আমীর জয়নাল আবেদীনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করে। সন্ত্রাসীরা প্রায় ১৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ৬টি বাড়ি, ২টি গাড়িসহ ৪ থেকে ৫ কোটি টাকার ক্ষতিসাধন করে। এ সময় তারা ৮ জন নেতা- কর্মীকে আহত করে।

এসব সন্ত্রাসের সাথে সম্পৃক্তদের গ্রেফতারের পরিবর্তে পুলিশ ১৫ সেপ্টেম্বর বুধবার রাতে জামায়াতের ৩ জন কর্মীকে এবং সকালে ৩ জন শিবির কর্মীকে গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এক দিকে পুলিশ জামায়াতের লোকজনকে হয়রানি করছে, অপরদিকে সন্ত্রাসীরা তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে। ফলে লাকসাম এলাকায় এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আমি পুলিশের এই অন্যায় গ্রেফতার, মিথ্যা মামলা দায়ের ও সন্ত্রাসী তাণ্ডবতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

অবিলম্বে সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ, ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান, গ্রেফতারকৃত সকল নেতাকর্মীর মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানাচ্ছি এবং এই সন্ত্রাসী ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহবান জানাচ্ছি।”

Check Also

Following consecutive remands; Jamaat leaders were sent to jail

The Jamaat leaders, who were arrested from an organizational meeting on last 6th September, were …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *