Breaking News
Home / খেলাধুলা / আ হ ম মুস্তফা কামালের বউয়ের রান্না মাছের ঝোল সব সাবাড় করেছিলেন ওয়াসিম

আ হ ম মুস্তফা কামালের বউয়ের রান্না মাছের ঝোল সব সাবাড় করেছিলেন ওয়াসিম

পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম। বাংলাদেশে কম আসেননি ওয়াসিম আকরাম। পাকিস্তানের হয়ে খেলতে, ব্যক্তিগত সফরে কিংবা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচের ধারাভাষ্য দিতে এসেছেন তিনি। কিন্তু ১৯৯৫ সালে এসেছিলেন বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে।

পাকিস্তানের কিংবদন্তি ফাস্ট বোলার তখন রীতিমতো মহাতারকা। বাঁহাতি পেস বোলিংয়ে শাসন করছেন ব্যাটসম্যানদের। ওই সময় প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে খেলাতে আবাহনী তাঁকে এনে হইচই ফেলে দিয়েছিল। স্মৃতির ঝাঁপি খুলে ঢাকার সেই সোনালি দিনগুলোর কথা কাল আবারও স্মরণ করলেন সর্বকালের অন্যতম সেরা এ পেসার।

তামিম ইকবালের ফেসবুক লাইভ আড্ডায় এসে কাল ওয়াসিম আকরাম ফিরে যান সেসব দিনে, ‘কামাল (আ হ ম মুস্তফা কামাল, আবাহনীর সাবেক পরিচালক) ভাই আমার পারিবারিক বন্ধু। তিনিই আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন আবাহনীর হয়ে খেলার জন্য। তিনি আমাকে বলেছিলেন, “তোমাকে মোহামেডানের বিপক্ষে খেলতে হবে।” বাংলাদেশের ক্রিকেটে কী পরিমাণ উন্মাদনা তখন এসে দেখেছি! তখনই বোঝা গিয়েছিল ক্রিকেট কতটা জনপ্রিয় হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে। পাকিস্তানেও আমরা ক্লাব পর্যায়ের ক্রিকেট, ফুটবল বা হকিতে এত আবেগ দেখিনি।’

ওই ম্যাচে আবাহনীর হয়ে খেলা মিনহাজুল আবেদীন, আকরাম খান ও খালেদ মাসুদও তামিমের এই আড্ডায় ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ব্রাদার্সের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে খেলতে নামেন ওয়াসিম আকরাম। এরপর খেলেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডানের বিপক্ষে। আবাহনী অবশ্য মোহামেডানের কাছে হেরেছিল সেদিন। স্টেডিয়ামে ছিল প্রচুর দর্শক। ঢাকার সেই দিনগুলোর কথা মনে করে আকরাম বলেন, ‘বাংলাদেশ এখনো আমার খুব কাছের একটা জায়গা। মানুষগুলো প্রচণ্ড আন্তরিক, অতিথিপরায়ণ। ওখানকার খাবার-দাবার অসাধারণ। বিশেষ করে মাছের ঝোলের কথা মনে পড়ে এখনো। সত্যি আমি বাংলাদেশকে অনেক মিস করি।’

তামিমের আড্ডায় ঘুরে ফিরে উঠে আসে ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে দেওয়া বাংলাদেশ দলের গল্প। ওই ম্যাচে হারের পর আকরাম-আমিনুলদের ভূঁয়সী প্রশংসা করেছিলেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ওয়াসিম, ‘আমাদের চেয়ে সেদিন বাংলাদেশই ভালো ক্রিকেট খেলেছিল। টুর্নামেন্টে বেশির ভাগ ম্যাচে আমরা প্রথমে ব্যাট করেছি। ওই ম্যাচেও আমরা রান তাড়ার অনুশীলন করতে চেয়েছিলাম। ওরা দারুণ বল করেছিল। বিশেষ করে মিডিয়াম পেসাররা সুইং করাচ্ছিল। সব মিলিয়ে ওরাই সেদিন ভালো খেলেছিল। ওদের প্রশংসা করতেই হতো। ম্যাচ শেষে ওদের সবাইকে অভিনন্দন জানিয়েছিলাম আমি।’

ওয়াসিম আকরামের আড্ডায় পেসার হওয়ার পরামর্শ থাকবে না, তা হয়ই না। তামিম এক ফাঁকে প্রশ্ন করেন, পাকিস্তানে প্রচুর ফাস্ট বোলার উঠে আসে, বাংলাদেশেও কীভাবে সম্ভব, যেহেতু কন্ডিশন প্রায় একই। আকরাম বলেন, ‘শুরুতেই একজন বোলার যেন চোটে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাকে টি-টোয়েন্টি নয়, দুই বা তিন দিনের ক্রিকেট খেলাতে হবে প্রচুর। মরা উইকেটে পেসারদের সমস্যা, এ কথা তাদের মাথার মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া যাবে না।সেটার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বোলারের মনে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, দুই-তিন দিনের ম্যাচ খেলাতে হবে।’

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের তরুণ পেসারদের আরও উন্নতি করা উচিত বলে মনে করেন ওয়াসিম..,👌

Check Also

জাতীয় সংসদ ভোট ডাকাতদের অভয়রাণ্য: গয়েশ্বর

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, সরকার জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ভোট ডাকাতি করে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *