Breaking News
Home / বিশেষ সংবাদ / নিজের উপর প্রয়োগ করে সুফল পাওয়ার কথা বললেন বাংলাদেশের গবেষক অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল

নিজের উপর প্রয়োগ করে সুফল পাওয়ার কথা বললেন বাংলাদেশের গবেষক অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল

সারা বিশ্বে প্রাণঘা’তী করোনাভাইরাস থেকে বাঁ’চতে বিজ্ঞানীরা নানা পর্যায়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। আত’ঙ্কে দিন কাটছে কোটি কোটি মানুষের। এমন একটা সময়ে আশার কথা বললেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের করোনাভাইরাস গবেষক অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলাম। ইথানলের মাধ্যমে কোভিড-১৯ ভাইরাসকে দ’মন করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

তবে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি আশাবাদী হলেও এখনো ল্যাবরেটরিতে গবেষণা করেননি। তবে সরকার চাইলে তিনি এ বিষয়ে গবেষণা করতে প্রস্তুত আছেন। শ্বাসতন্ত্রের সং’ক্রামক রোগে ইথানল বেশ কার্যকরী। তিনি নিজেই নিজের দেহে তা প্রয়োগ করে সুফল পেয়েছেন। অধ্যাপক আলিমুল ইসলাম তাঁর এমন মতামতটি নিজের ফেসবুকে পেইজেও শেয়ার করেছেন। সেখানে তাঁরই এক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন যে, জাপানেরও একজন গবেষক একইভাবে গবেষণা চালিয়ে সফল হয়েছেন।

ড. আলিমুল ইসলাম একজন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বনামধন্য গবেষক। তিনি এর আগে ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়া, সার্স করোনা-১-সহ বিভিন্ন ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করেছেন। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অধীনেও কাজ করেছেন।

ড. আলিমুল বলেন, যেকোনো ভাইরাসের দুটি আবরণ থাকে। ইথানল কিংবা সাবান প্রয়োগে ওই দুটি স্তর গলে যায়। এমতাবস্থায় ধ্বং’স হতে অনেকটাই বাধ্য ভাইরাসটি। বাংলদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিজ্ঞানী জানান, আরএনএ গোত্রের করোনা ভাইরাসের বেশ কয়েকটি জাত রয়েছে। কোভিড-১৯ তার একটি। করোনার কোনো কোনো গোত্রকে ইথানল প্রয়োগে ধ্বং’স করা যায়।

আরএনএ গোত্রের প্রতিটি ভাইরাসের চরিত্র প্রায় কাছাকাছি বলে ইথানলে কোভিড-১৯ সারবে বলে মনে করছেন তিনি। এক্ষেত্রে করোনা আ’ক্রা’ন্ত রোগী কী মাত্রায় এই ইথানল ব্যবহার করবেন সেটিও তিনি জানান। তিনি বলেন, ইথানল-মিশ্রিত কুসুম গরম পানির কুলকুচি করে বা বাষ্প টেনে এর সুফল পাওয়া যেতে পারে। ড. আলিমুল বলেন এটি কোনো চিকিৎসা নয়। চিকিৎসা সহায়ক পদ্ধতি।

তিনি বলেন, সাধারণ সর্দি জ্বর কাশি ও গলা ব্যাথাসহ শ্বাসক’ষ্টের রোগীরাও এটি করে ফল পেতে পারেন। করোনায় আ’ক্রা’ন্ত রোগীরাও এটি করে কার্যকর ফল পেতে পারেন। তবে ইথানল ব্যবহারে সরকারের মা’দকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অনুমতি নিতে হবে। কারণ ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরিতে গবেষণার কাজ ছাড়া এর ব্যবহারে অনুমতি নেই। সরকার চাইলেই এটি সম্ভব।

ড. আলিমুল বলেন, তিনি নিজে ও তাঁর আটজন ছাত্র ইথানল ব্যবহার করে এরই মধ্যে জ্বর ও সর্দি কাশিসহ শ্বাসক’ষ্টের সমস্যা থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তবে ইথানল ব্যবহারে অ্যালার্জি রয়েছে এমন হৃদরোগী, অ্যাজমা ও ডায়াবেটিস রোগীদের এটি ব্যবহার বারণ বলে জানান তিনি। সরকার চাইলে এ বিষয়ে তার শিক্ষার্থীদের নিয়ে গবেষণা শুরু করব।

Check Also

এসআই আকবরের বিলাসবহুল জীবন নিয়ে বেরিয়ে আসলো যে খবর!

দশ বছর আগেও বাড়িটিতে ছিল টিনশেড ঘর। এখন সেই জায়গায় গড়ে উঠেছে রাজকীয় প্রাসাদ। শুধু …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *