Breaking News

২০ বছর পরে ভাত খাচ্ছি, সঙ্গে একটু ডাল ও আলুসেদ্ধ : মমতা ব্যানার্জী

তিনি যে ভাত খান না এর আগে একাধিক সাক্ষাত্‍কারে সে কথা বলেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। তার বদলে মুড়ি, চিঁড়ের শুকনো খাবারই তার খাদ্যাভ্যাসে জুড়ে গেছে। কিন্তু করোনা সং’ক্র’মণের এই সময়ে ভাত খাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার নিজেই জানালেন, ২০ বছর পর ইমিউনিটি পাওয়ার (রোগ প্রতিরো’ধ ক্ষ’মতা) বাড়াতে ডাক্তারদের পরামর্শেই তিনি ভাত খাচ্ছেন। তবে অনেকটা নয়।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এক চামচ ভাত, একটু ডালসেদ্ধ, একটু আলুসেদ্ধ খাচ্ছি। মুড়ি খাচ্ছি।’ এদিন সাধারণ মানুষকে ঘরে থাকার বার্তা দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী খাবারের প্রসঙ্গ তোলেন। বলেন, ‘আগামী দু’সপ্তাহ খুব সাবধানে থাকতে হবে। কেউ বাড়ি থেকে বেরোবেন না।’ এরপরই মমতা বলেন, ‘আমি তো একাই থাকি। আমাকে তো দেখার কেউ নেই। এখন আমি কাউকে সামনে আসতে দিচ্ছি না। আমার বাড়িতে সারাক্ষণ দু’টি মেয়ে থাকে। ওরা যা খায় আমি তাও পাই না।’

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘সেদ্ধভাত খান কিন্তু বাড়িতে থাকুন। এখন লাটসাহেবি করার সময় নয়।’ আগের দিন চিকিত্‍সকদের উষ্ণ গরম জলে পাতি লেবুর রস খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছিলেন, ‘মনে রাখবেন করোনা কিন্তু আগে গলায় অ্যা’টা’ক করে। উষ্ণ গরম জলে লেবুর রস দিয়ে খেলে গলাটা ক্লিয়ার হয়ে যাবে।’ এদিন মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘একদম পেট খালি রাখবেন না। পেট ভরে সেদ্ধভাত খান। বেশি করে জল খান আর জানলা-দরজা খুলে রাখুন।’

মুখমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ এক আমলা বলেন, আসলে উনি বলতে চেয়েছেন, এখন সং’কটের সময়। ভাল-মন্দ কদিন নয় নাই বা খেলেন মানুষ। কদিন নয় কষ্টসৃষ্ট করে চললেন। আগে তো জীবন। নিজের ও পরিবারের সবার সুস্থ থাকা অগ্রাধিকার। তাই বাজারে গিয়ে হুড়োহুড়ি না করে বাড়িতে যা রয়েছে তাই খেয়ে যেন থাকেন। কারণ, অনেককে দেখা যাচ্ছে রোজ বাজারে যাচ্ছেন। ঠেলাঠেলি করে কেনাকাটা করছেন। এরকম করলে সং’ক্র’মণ ছড়ানোর আশ’ঙ্কা বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু এটা সং’য’ত থাকা ও সং’য’ম দেখানোর সময়।

Check Also

লাকসামে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের উপর আওয়ামী সন্ত্রাসী হামলা ও পুলিশের মিথ্যা মামলা এবং গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

কুমিল্লা লাকসামে শিবির-জামায়াত সমর্থিত লোকজনের ব্যবসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাড়ি-ঘরে ব্যাপক ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *