Breaking News

অবশেষে ইসলাম কে নিয়ে বিদ্বেষী মন্তব্য করায় ব্রিটেনের সেই স্কুল শিক্ষককে নিষিদ্ধ!

ক্লাশ রুমে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসলামী বিদ্বেষী মন্তব্য করায় ব্রিটেনের এক স্কুল শিক্ষককে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্কুলের অভিভাবকরা ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে ২০১৯ সালের জানুয়ারীতে তাকে বহিস্কার করা হয়।

তবে অভিযোগের সত্যতা বিষয়ে দীর্ঘ তদন্ত ও শুনানি শেষে সম্প্রতি তাকে সব ধরনের শিক্ষা প্রদান থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। এই নিষিদ্ধের ফলে ওই শিক্ষক ব্রিটেনের কোন স্কুল, কলেজ, ইয়ুথ একাডেমি এমনকি বাসায় গিয়ে কোনো শিশুকে শিক্ষা প্রদান করতে পারবেন না।

জানা যায়, ৫৩ বছর বয়সী ফিলিপ টার্নার সামারসেটের ক্লেভেডন এলাকার মেরী এলটন প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করতো। ওই স্কুলের ইয়ার ফাইভ ও ইয়ার সিক্সের শিক্ষার্থীদের তিনি পড়াতেন। ২০১৮ সালে তিনি ফেসবুকে তার পেজে মন্তব্য করেন, ‘ইসলাম বিশ্বের জন্য একটি ক্যান্সার, এটাকে বিশ্ব থেকে বের করে দিতে হবে।’

এছাড়া ইসলাম বিদ্বেষী তার চিন্তা চেতনা উভয় ক্লাশের শিক্ষার্থীদের সাথে শেয়ার করেন। এরপরই ওই শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানতে পারে টার্নারের বিষয়ে। পরে অভিভাবকরা তার বিষয়ে স্কুলে অভিযোগ করলে জানুয়ারীতে তাকে স্কুল থেকে বহিস্কার করা হয়।

টার্নারের বিষয়ে অভিযোগের সত্যতা নিয়ে তদন্ত শুরু করে ব্রিটেনের শিক্ষা মন্ত্রনালয়। তদন্তে জানা যায়, ফেসবুকে তিনি ইসলামকে শয়তানের ধর্ম বলে অভিহিত করে একই সাথে সেখানে একটি ছবি শেয়ার করে। কয়েকজন এশিয়ান পুরুষের ওই ছবির ক্যাপশনে টার্নার লিখেন- ‘এদের সবারই একই স্বভাব, শিশু ধর্ষণ করা।’

এই মাসের শুরুতে ব্রিটেনের টিচিং রেগুলেশন এজেন্সি টার্নারের অপরাধের নানা বিষয় সংগ্রহ করে আদালতে উত্থাপন করে। সেখানকার বিষয় থেকে জানা যায়, টার্নার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়াও ক্লাশ রুমে অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতো।

আদালত টার্নারের বিষয়ে সব অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হয়ে তাকে সব ধরনের শিক্ষা প্রদান থেকে নিষিদ্ধ করে। শুনানিকালে টার্নার আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তবে তার বিরুদ্ধে রায়ের বিষয়ে হাইকোর্টে আপিলের সুযোগ রয়েছে।

Check Also

গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের নিকট ফেরত দেওয়ার আহবান

৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান ২৯ আগস্ট …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *