Breaking News
Home / আন্তর্জাতিক / করোনাক্রান্তের চিকিৎসা: প্লাজমা প্রয়োগে ১২-২৪ ঘণ্টায় রোগীর উন্নতি

করোনাক্রান্তের চিকিৎসা: প্লাজমা প্রয়োগে ১২-২৪ ঘণ্টায় রোগীর উন্নতি

রক্তের প্লাজমা ব্যবহার করে করোনাভাইরাস চিকিৎসায় সাফল্যের দাবি করেছে চীনের একটি প্রতিষ্ঠান। দ্রুত চিকিৎসার ক্ষেত্রে নতুন এ পদ্ধতি উদ্ভাবন করে চীনের একটি সরকারি হাসপাতাল। এ পর্যন্ত ১০ জন রোগীর ওপর এ পদ্ধতি প্রয়োগ করে ১২-২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাফল্য পাওয়া গেছে।

এ পদ্ধতিতে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে গেছেন এমন ব্যক্তির দেহ থেকে রক্তের প্লাজমা সংগ্রহ করে নতুন আক্রান্তদের দেহে তা ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে বৈধ উপায় বলে আখ্যায়িত করেছে।

এ পর্যন্ত বাংলাদেশে এ ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। আক্রান্ত সন্দেহে যাদের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে তাদের মধ্যে করোনার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। এদিকে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিংয়ের হাতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী হস্তান্তর করা হয়েছে। চীনে নতুন করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৭৩ জনে।

আক্রান্তের সংখ্যা ৭২ হাজার ৪৩৬ জন। ইতিমধ্যে অন্তত ২৬টি দেশে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটিতে পরিচালিত নতুন এক গবেষণায় বলা হচ্ছে, আক্রান্ত ৮০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই ঝুঁকি স্বল্পমাত্রায়। করোনাভাইরাস আতঙ্কে ঢাকায় স্থগিত হয়েছে চতুর্থ আইএসএসএফ ইন্টারন্যাশনাল সলিডারিটি ওয়ার্ল্ড র‌্যাঙ্কিং আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপস-২০২০।

করোনাভাইরাসে নতুন চিকিৎসায় ১২ ঘণ্টায় সফলতা : রক্তের প্লাজমা ব্যবহার করে করোনাভাইরাস চিকিৎসায় নতুন একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে চীন। এ পদ্ধতিতে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে গেছেন এমন ব্যক্তির দেহ থেকে রক্তের প্লাজমা সংগ্রহ করে নতুন আক্রান্তদের দেহে সেই প্লাজমা ব্যবহার করা হচ্ছে।

তাতে অভূতপূর্ব ফল পাওয়া গেছে। মাত্র ১২-২৪ ঘণ্টার মধ্যে এতে সাফল্য আসছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে বৈধ উপায় বলে আখ্যায়িত করেছে। মালয়েশিয়ার অনলাইন দ্য স্টারে এ খবর প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একজন শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ বলেছেন, প্লাজমা ব্যবহার করে এই চিকিৎসার পরীক্ষা খুবই কার্যকর পদ্ধতি।

সময়মতো রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সর্বোচ্চে পৌঁছে দেয়া এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ। সাংহাই পাবলিক হেলথ ক্লিনিক্যাল সেন্টারের অধ্যাপক ও সহ-পরিচালক লু হং ঝৌ বলেছেন, ১৮৪ জন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার মধ্যে ১৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

তার হাসপাতালে প্লাজমা থেরাপি ব্যবহারের জন্য একটি বিশেষায়িত ক্লিনিক স্থাপন করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মসূচির প্রধান ড. মাইক রিয়ান বলেছেন, র‌্যাবিস এবং ডিপথেরিয়াসহ অন্যান্য সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে প্লাজমা পদ্ধতি প্রমাণিত হয়েছে কার্যকর ও জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা হিসেবে।

হাইপার ইমিউন গ্লোবিউলিন যা করে তা হলো, আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ একজন ব্যক্তির দেহে এন্টিবডি ঘনীভূত করে। নতুন করে আক্রান্ত ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে দেয়া হয় এন্টিবডি। এটা দেয়া হলে কঠিন অবস্থা থেকে তারা বেঁচে উঠতে পারেন। তবে তা দিতে হবে উপযুক্ত সময়ে।

চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে বলেছে, প্লাজমা পদ্ধতিতে ১২-২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। এ পদ্ধতিতে আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। প্রথমে রক্তের প্লাজমা নেয়া হয় গত ১ ফেব্রুয়ারি।

৯ ফেব্রুয়ারি দেয়া হয় এক রোগীর দেহে। উহানের জিয়াংসির একটি হাসপাতালে ওই রোগীকে এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেয়া হয়। এতে ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়। ফলে আরও ১০ জন রোগীকে একই চিকিৎসা দেয়া হয়। তারা মারাত্মক অবস্থা থেকে এখন অনেকটাই সুস্থ হয়েছেন।

বিএমআরসির গোলটেবিল : বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ সেন্টার আয়োজিত ‘কোভিড-১৯-এর বর্তমান ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোস্তাক হোসেন। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, মানুষের ঘনবসতি, ব্যাপক হারে পশু-পাখির খামার গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন ধরনের প্রাণীর সঙ্গে মানুষের ঘনিষ্ঠতার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে জুনেটিক ডিজিজ (প্রাণীবাহিত রোগ) বাড়ছে।

এ ক্ষেত্রে দ্রুত সচেতন না হলে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারলে এ ধরনের রোগ বাড়তেই থাকবে। এ সময় অন্য বক্তারা বলেন, আমাদের দেশে এখনও এ রোগটি আসেনি। তবে যেসব দেশে রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে ওইসব দেশের সঙ্গে আমাদের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। তাই যে কোনো সময় রোগটি আমাদের দেশে প্রবেশ করতে পারে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, বিএসএমএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া প্রমুখ।

মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮৭৩ জন : চীনে আরও ৯৮ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে নতুন করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৭৩ জনে। তবে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা নেমে এসেছে দুই হাজারের নিচে। চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির মূল ভূখণ্ডে আরও ১ হাজার ৮৮৬ জনের শরীরে নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

আগের দিন নতুন রোগীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৪৮ জন। সব মিলিয়ে দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭২ হাজার ৪৩৬ জনে। আর অন্তত ২৬টি দেশে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা ৭৩ হাজার ছাড়িয়েছে। চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত তাইওয়ান, ফ্রান্স, হংকং, ফিলিপিন্স ও জাপানে পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন।

চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ১১ হাজার মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। দেশে করোনা ভাইরাসের রোগী মেলেনি : নতুন করোনাভাইরাসে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেছেন, এখন পর্যন্ত দেশে ভাইরাস আক্রান্ত রোগী মেলেনি। ভাইরাস সন্দেহে যাদের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে তাদের মধ্যে করোনার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার দুপুরে মহাখালীর আইইডিসিআর ভবনে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। অধ্যাপক ফ্লোরা বলেন, এ পর্যন্ত আমরা ৭২ জনের নমুনা সংগ্রহ করেছি। এর মধ্যে ৩ জন চীনা নাগরিক। আমরা কোনো নমুনায় করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাইনি। সুতরাং আমরা বলতে পারি, বাংলাদেশে কোনো করোনাভাইরাসের উপস্থিতি নেই। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সিঙ্গাপুরে আরও দুটি নতুন কেস শনাক্ত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কেউ বাংলাদেশি নন। এখন পর্যন্ত আক্রান্ত বাংলাদেশির সংখ্যা পাঁচজনই আছে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় নেই বেশিরভাগ আক্রান্ত : চীনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ৪৪ হাজারের বেশি কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তির বিস্তারিত স্বাস্থ্যতথ্য নিয়ে একটি জরিপের ফল প্রকাশ করেছেন। বলা হচ্ছে- সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর এটাই এ রোগ নিয়ে বৃহত্তম জরিপ। দেশটির সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেন্টেশন’র তথ্যে বলা হচ্ছে, আক্রান্ত ৮০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই ঝুঁকি স্বল্পমাত্রায়। বেশি ঝুঁকিতে বয়স্ক ও অন্যান্য রোগে অসুস্থ ব্যক্তিরা।

এ ছাড়া মেডিকেল কর্মকর্তারা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেন্টেশন বা সিসিডিসির প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এই প্রদেশে মৃত্যুহার ২ দশমিক ৯ শতাংশ। যেখানে সারা দেশে এ হার শূন্য দশমিক চার শতাংশ। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সব মিলিয়ে এ রোগে মৃত্যুহার ২ দশমিক ৩ শতাংশ।

চাইনিজ জার্নাল এপিডেমিওলজিতে সোমবার এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে চীনে গত ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রাপ্ত ৭২ হাজার ৩১৪টা কেস পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে নিশ্চিত আক্রান্ত, সন্দেহজনক এবং লক্ষণ ধরা পড়েনি এমন কেস রয়েছে। প্রতিবেদনে সমগ্র চীনে ৪৪ হাজার ৬৭২টি কেসের বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ৮০ দশমিক নয় শতাংশ সংক্রমণ নমনীয় মাত্রার, ১৩ দশমিক আট শতাংশ তীব্র, ৪ দশমিক সাত শতাংশ সংকটপূর্ণ।

সবচেয়ে ঝুঁকিতে ৮০ বছর বা তারচেয়ে বেশি বয়সীরা। এদের সংখ্যা ১৪ দশমিক আট শতাংশ। ৯ থেকে ৩৯ বছর বয়সীদের কোনো ঝুঁকি নেই। মৃত্যুর হারও অনেক কম- শূন্য দশমিক দুই শতাংশ। এর পরের এজ গ্র“প বা বয়সভিত্তিকভাবে শঙ্কা বাড়ছে। যেমন, ৪০ বছরে শূন্য দশমিক চার শতাংশ, ৫০ বছরে এক দশমিক তিন শতাংশ, ৬০ বছরে তিন দশমিক ছয় শতাংশ এবং ৭০ বছরে এটা আট শতাংশ। পুরুষরা নারীদের চেয়ে বেশি মারা যাচ্ছেন।

নারী এক দশমিক সাত শতাংশ, পুরুষ দুই দশমিক আট শতাংশ। যাদের আগে থেকেই হৃদযন্ত্রের সমস্যা, ডায়াবেটিস, শ্বাসতন্ত্রের অসুখ এবং উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে তারা এই ভাইরাসে সহজেই সংক্রমিত হতে পারেন। মেডিকেল স্টাফ যারা সেবা দিচ্ছেন তাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে- ৩০১৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ১৭১৬ জন নিশ্চিত এই রোগে আক্রান্ত এবং ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫ জন মারা গেছেন।

প্রমোদতরীগুলোর কী করা হচ্ছে : দুই হাজার যাত্রী নিয়ে আরেকটি প্রমোদতরী অবশেষে ক্যাম্বে^াডিয়ার বন্দরে ভিড়েছে। জাহাজটি দিনের পর দিন সাগরে ভাসমান অবস্থায় ছিল। কোনো বন্দরেই এটিকে ভিড়তে দিচ্ছিল না। সন্দেহ ছিল এই জাহাজের যাত্রীরা করোনাভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে দিতে পারে। ‘দ্য ওডিসি অব দ্য এমএস ওয়েস্টারডামকে’ পাঁচটি দেশের বন্দর থেকে ফিরিয়ে দেয়া হয়। এটিতে ১৪৫৫ জন যাত্রী এবং ৮০২ জন ক্রু ছিল।

দুই শতাধিক বাসিন্দাকে ঘরে ফেরাল অস্ট্রেলিয়া : করোনা আতঙ্ক সন্দেহে নির্জন ক্রিসমাস দ্বীপে রাখা নাগরিকদের সোমবার সন্ধ্যায় দেশটির মূল ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে। খবর বিবিসির। সংস্থাটি জানায়, গত ৩ ফেব্রুয়ারি চীনের হুবেই প্রদেশ তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে নির্জন দ্বীপে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। তাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। কোয়ারেন্টাইন শেষে ঘরে ফিরতে পেরে তারা খুশি।

হাসপাতাল পরিচালকের মৃত্যু : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চীনের উহানে অবস্থিত উহান উচ্যাং হাসপাতালের সভাপতি লিউ ঝিমিংয়ের মৃত্যু হয়েছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিউমোনিয়ায় ভুগছিলেন তিনি। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় তার মৃত্যু হয়। চায়না সেন্ট্রাল টেলিভিশনকে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে মালয়েশিয়ার অনলাইন দ্য স্টার। হুবেই প্রদেশের উহানে ইয়াংগুয়ান স্ট্রিটে অবস্থিত এটি একটি উচ্চমানের হাসপাতাল। উহানে করোনাভাইরাসের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে যে সাতটি হাসপাতালে তার মধ্যে এটি অন্যতম।

Check Also

জাহাঙ্গীর কবির নানক করোনায় আক্রান্ত

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *